সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে বান্দরবানের “দূর্গোৎসব”

উদ্ভোধনের পরের দিন অর্থাৎ আজ (শনিবার) সপ্তমীতেই সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে বান্দরবানের কেন্দ্রীয় দূর্গোৎসব। দুপুরের পর থেকে উৎসবস্থলে ভিড় বাড়তে থাকে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পূজারীদের আনাগোনায়।

বিকেল হতেই পূজামন্ডপটি বান্দরবান জেলার নানা প্রান্ত থেকে আসা পূজারীদের পদচারনায় মুখর হয়ে ওঠে। ছবি- খোলা চোখ ডটকম।

সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে দূর্গা পূজার মন্ডপটি পরিণত হয় মহা মিলনমেলায়। মিলনমেলাটি শেষ পর্যন্ত আর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দখলে থাকেনি। জাতিগত ভেদাভেদ ভুলে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ ছুটে এসেছেন রাজার মাঠে।

পূজাকে কেন্দ্র করে রাজার মাঠে বসে লোকজ মেলা। মেলায় শিশুদের জন্য রাখা হয় নাগর দোলা।


মন্ডপের ভেতর পূজার আনুষ্ঠানিকতা এবং ধর্মীয় সংগীত পরিবেশনার মঞ্চে যেমন ভিড় লেগেছিল তার চেয়েও বেশি ভিড় ছিল লোকজ মেলার দোকানগুলোতে। পূজাকে কেন্দ্র করে অন্তত কয়েকশ দোকান বসেছে এবার। এর মধ্যে তাঁতের দোকান, শাড়ি-চুড়ি, কাঁসা পিতলের দোকান অন্যতম।

ওয়াটার রাইডে ছিলো শিশুদের ভিড়।

অন্যদিকে শিশুদের আনন্দ দিতে মাঠের বিশাল অংশ জুড়ে বসেছে বিভিন্ন রাইড। দোলনা, যান্ত্রিক নৌকা, রেলগাড়ি, ওয়াটার রাইড, ¯িøপারে শিশুদের ভিড় লেগেই ছিল মধ্যরাত পর্যন্ত।

বিভিন্ন বয়সী নারীদের ভিড় ছিল মেলায়।

পূজাস্থলে আগত দর্শনার্থীরা জানান, অত্যন্ত সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশে এবার পূজা উদযাপন হচ্ছে। শৃংখলার সাথে পূজা মন্ডপ ঘুরে দেখতে কোন অসুবিধা হচ্ছে না।

ওয়াটার রাইডে শিশুদের ভিড়।

কেন্দ্রীয় দূর্গা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ দাশ শেখর জানান, মেলায় সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি প্রমান করে বান্দরবানের মন্ডপটি কেন সেরা। কোথাও কোন অঘটন ঘটেনি। সব মিলিয়ে এবারের দূর্গা পূজা সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে।

উৎসবকে সার্বজনীন করতে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ।

দূর্গা পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজা প্রাঙ্গনসহ রাজার মাঠের আশেপাশের স্থানগুলোতে নেয়া হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

আপনার মন্তব্য কী?